আজ ১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

অবহেলিত ক্ষেতলাল পৌরসভাকে ডিজিটাল আওতায় আনবো-আঃ মজিদ মোল্লা-দৈনিক বাংলার নিউজ

নিরেন দাস,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ-

জয়পুরহাটের অবহেলিত ক্ষেতলাল পৌরসভাকে বাংলাদেশ সরকারের সকল প্রকার ডিজিটাল প্রক্রিয়া চালুর মাধ্যমে এ অবহেলিত পৌরসভাকে ডিজিটাল আওতায় আনবো বলে প্রতিবেদকের মাধ্যমে ক্ষেতলাল পৌর বাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা পাশাপাশি নির্বাচনী আগাম বার্তা জানিয়েছেন আসন্ন ক্ষেতলাল পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী,ক্ষেতলাল উপজেলা আ”লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আ” লীগের সদস্য ব্যাপক আলোচিত জনবান্ধব নেতা আব্দুল মজিদ মোল্লা।

তিনি বলেন আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ বুকে ধারণ করে আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী বাংলাদেশ আ”লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতি আস্থা রেখে,আমি জন্মসূত্রে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। বলে তিনি কান্নাভড়া কষ্ঠে তার পারিবারিক রাজনৈতিক জীবনী তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ আ”লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমৃত্যু পর্যন্ত সহায়তা করে তার সকল উন্নয়নের বার্তা জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ায় আমার রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আমি স্বার্থের জন্য রাজনীতি করিনা। রাজনীতি আমার পেশা নয়’ রাজনীতি আমার নেশা,আমি সেই ১৯৮৫ সালে মাত্র ১৫ বৎসর বয়সে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর আদর্শকে বুকে ধারণ করে ছাত্র লীগের রাজনীতির মধ্যদিয়ে আমার রাজনীতির পথচলা শুরু হয়।

আমার রাজনীতি তা কখনোই আমার নিজের স্বার্থের জন্য নয়” আমি রাজনীতি করি জনগণের সেবা করার জন্য আমি রাজনীতি করি দেশ ও জাতির স্বার্থে এমন কথা বলে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনীর কথা তুলে ধরে বলেন, ১৯৮৫ সালে আমার বয়স যখন মাত্র ১৫ বৎসর তখন আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর রাজনীতির মধ্যদিয়ে আমার রাজনীতি জীবন শুরু করি যা এখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সততার সহিত রাজনীতি করে যাচ্ছি। আমার পরিবার ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আ”লীগের পক্ষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে চলমান ৯ মাস মুক্তিযোদ্ধে বিশেষভাবে অবদান রাখেছিলো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং তার চেতনা বুকে ধারন করে বিশ্বত সাহসিকতার সাথে ১৯৮০ থেকে ১৯৯১ ইং সাল পযন্ত ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেছি।

১৯৯১-ইং সালে ক্ষেতলাল উপজেলা আ”লীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন সাবজেক্ট কমিটির ৯৮ ভাগ ভোট পেয়ে আমি উপজেলা আ”লীগের সাধারন সম্পাদক নিবাচিত হই।উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় আ”লীগের সহ- সভাপতি ডাঃ সেলিম ভাই। ১৯৯৫-ইং সালের সম্মেলনে বাংলাদেশ আ”লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক মো.নাছিম ভাই এর উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারও আমি উপজেলা আ”লীগের সাধারন সম্পাদক নিবাচিত হই।

২০০৫-ইং সালে বাংলাদেশ আ”লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান ভাই এর উপস্থিততে ত্রি- বাষিক সম্মেলনে স্থানীয় দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে সম্মেলনটি স্থগিত হয়ে যায়। ২০০৮ ইং সাল পযন্ত সাবেক কমিটি বহাল রেখে দলের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করি। ২০০৮ ইং সালে আমাদের জয়পুরহাট-২ আসনের অভিভাবক জাতীয় সংসদের হইপ,কেন্দ্রীয় আ”লীগের টানা ৪ বারের সাংগঠনিক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ভাই এর উপস্থিততে একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়।

উক্ত আহবায়ক কমিটিতে আমি ১ নং যুগ্ম-আহবায়ক নিবাচিত হই। ২০১৩ ইং সালে ক্ষেতলাল উপজেলা আ”লীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনে আমি ১ নং সহ-সভাপতি নিবাচিত হই এবং সভাপতি নির্বাচিত হয় মহরম খলিলুর রহমান। সভাপতি খলিলুর রহমান ২০১৭-ইং সালে তিনি মৃত্যুবরণ করলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অদ্য বিধি সততা, ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে আমার উপর সভাপতির দায়িত্ব অপিত হলে তখন থেকেই কোন প্রকার অনিয়ম,দুর্নীতি,দলীয় প্রভাব না খাটিয়ে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করেছি।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে আওয়ামী চেতননায় সমৃদ্ধ হয়ে দলের পক্ষে তৃণমূল সংগঠিত করতে গিয়ে আমাকে অনেকেই অনেকবার নির্যাতন জুলুম হুলিয়া ও মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে হয়রানি করা হয়েছিলো। আমার সততার কাছে সেগুলো মাকাবিলা করতে গিয়ে শুধু আমার সংসার বিদ্ধস্হ বিদ্বিষ্ট হয়নি আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে অনেক সোনালী দিন। সেই সময় আমার দুটি মেয়ে হারিয়েছে বাবার আদর সহধর্মিণী হারিয়েছে আমার সুখের সান্নিধ্য ১৯৯৬ ইং সাল হতে ২০০৭ ইং সাল পর্যান্ত বিএনপি সরকার জোট সরকারধীন নিবাচনে বাংলাদেশ আ”লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীও ছিলাম।

কিশোর বয়স থেকে আজীবন আমি দলের প্রতি শতভাগ অনুগত থেকেছি।দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোন কমকান্ড আমার দ্বারা সংগঠিত হয়নি।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দল কে সু-সংগঠিত করেছি। দলের দুঃসময়ে যা হারিয়েছি, দলের সুসময়ে তা পূরনের চেষ্টাও আমি করিনি। নিলোভ নিমোহ থেকে দলের জন্য কাজ করেছি। আমি জানি স্থানীয় জন প্রতিনিধি হয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে মানুষের সেবা করার সাধ উপভোগ এবং অনুস্মরণীয় দৃষ্টান্ত রেখে না ফেরার দেশে যাওয়ার অভিপ্রায় নিয়ে আমি আসন্ন ক্ষেতলাল পৌরসভা নির্বাচনে মননোয়ন প্রত্যাশা হয়েছি তার একমাত্র কারণ অবহেলিত ক্ষেতলাল পৌরসভাকে ডিজিটাল পৌরসভায় রুপান্তিত করার জন্য।

সেই সাথে মহান আল্লাহ তালাকে হাজির নাজির রেখে আশা ব্যক্ত করছি যে,আমার নেত্রী যদি আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে মনোনীত করে তবে আমার বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে তিনি বলেন আমার কোন হিংসা নেই এই যে দল থেকে অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে মনোনয়ন চাইতেই পারে যোগ্যতা ও ত্যাগের ভিক্তিতে প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ মনোনীত করবেন।

কিন্তু আমি জোড় দাবিতে বলতে পাড়বো যে এতো বছর দলের মূল পদে থেকে সংগঠন পরিচালনা করতে দলে আমার অনেক বেশি শ্রম ও বিনিয়োগ রয়েছে।

মানুষ আমার প্রতি বিরাগ ভাজন নয়। ত্যাগীও দুঃসময়ে পরিক্ষিত মানুষ হিসেবে সবাই আমাকে জানে ও পছন্দকরে। তৃনমূলেও রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এই গ্রহণ যোগ্যতা আমি সৃষ্টি করেছি। এজন্যই আমি নিজেকে গর্ভিত মনে করি। দল ক্ষমতার সু-দীর্ঘ একযুগে আমার রাজনৈতিক জীবনে পরিবার পরিজনদের কিছুই দিতে পারি নাই।এমন কি আমার দুটি এম এ পাশ করা কন্যাদের ও রাজনৈতিক জীবনে পরিবার পরিজনদেরও কিছু দিতে পারিনাই।তবুও আমার পরিবার গবিত এই জন্য যে, আমি ক্ষেতলাল উপজেলার মানুষের জন্য দিনরাত করেছি।
তাই আমার মমতাময়ী নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন ক্ষেতলাল পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দিয়ে মনোনীত করলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে বর্তমানে ব্যাপক অবহেলিত ক্ষেতলাল পৌরসভাকে একটি ডিজিটাল আওতায় এনে ক্ষেতলাল পৌরসভাকে শেখ হাসিনাকে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ। ক্ষেতলাল পৌরসভায় আ”লীগ মনোনীত সম্ভব্য মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল মজিদ মোল্লা প্রতিবেদকের মাধ্যমে ক্ষেতলাল বাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দোয়া ও আশির্বাদ চেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ